LOADING

Type to search

ভারতীয় ভিসা-পোর্ট পরিবর্তনের নিয়ম-কানুন

ভারতীয় ভিসা-পোর্ট পরিবর্তনের নিয়ম-কানুন

Share
Spread the love
  • 118
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    118
    Shares

ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থল বন্দর বা ল্যান্ড-পোর্ট রয়েছে ১৭টি। আপনার ভিসা আছে এক পোর্টে, কিন্তু যাওয়া দরকার অন্য দিকে, কী করবেন আপনি??

ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ হবার কারণে এই দেশেই বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ যায়। পশ্চিম, উত্তর, পূর্ব এই তিনদিকে ভারতের সাথে আমাদের স্থলবন্দর বা ল্যান্ডপোর্ট এর সংখ্যা ১৭টি। এছাড়াও রেল বন্দর ও বিমান বন্দর থেকেও যাওয়া যায় বলে সেটাকেও একটা পোর্ট ধরা হয়। ভারতে প্রবেশ করতে হলে এই পোর্টগুলোর একটা দিয়েই প্রবেশ করতে হবে, এবং আবার দেশে ফিরে আসার বিষয়টিও তাই। ভিসা দেবার সময় আবেদনকারীর অনুরোধে ভিসায় উল্লেখ করে দেয়া হয় কোন পোর্ট দিয়ে সে ভারতে প্রবেশ করবে।

এর ফলে দেখা যায় যে, মনে করুন, যার ভিসা আছে তামাবিল / ডাউকি বর্ডারে, সে চাইলেও কলকাতা যাবার জন্য বাসে করে বেনাপোল / হরিদাসপুর বর্ডারে যেতে পারছে না। তাকে অপেক্ষা করতে হবে ভিসার মেয়াদ শেষ হবার জন্য, এর পরে নতুন করে আবেদন করতে হবে। নয়ত অন্য উপায় হল বিমানে যাওয়া অথবা শিলং হয়ে প্রায় হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কলকাতা পৌঁছানো।

আগে ছোট মেয়াদে ভিসা দেয়া হত বলে এটাতে অতটা সমস্যা করতে না। তিন মাস, ছয় মাস মেয়াদী ভিসাগুলোর বদলে এখন আজকাল এক বছরের ভিসা দেয়া হয়, আর তখনই তৈরি হয় সমস্যা।

এর পরে আবার কিছুদিন আগে ভারত বাংলাদেশের সাথে পোর্ট ব্যবস্থাপনায় আবারও কিছু পরিবর্তন এনেছে, যার ফলে দেখা যায় যে, যে কোন পোর্টের ভিসা থাকলে আপনি বেনাপোল / হরিদাসপুর, রেল বন্দর গেদে, ও বিমান দিয়েও যাতায়াত করতে পারবেন। এটা নিঃসন্দেহে কিছুটা সুবিধা তৈরি করেছে। তবে এর পরেও, দেখা যায় যে কারও কারও দরকার হয় ভিসার পোর্ট পরিবর্তন করার।

বিশেষ করে কেউ যদি চান নেপাল বা ভুটান যেতে, তাহলে বাংলাবান্ধা কিংবা বুড়িমাড়ি পোর্ট দিয়েই যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক। সেই কথা চিন্তা করে ভিসার পোর্ট পরিবর্তন করার কথা ভাবতে পারেন। কারণ বেনাপোল দিয়ে গেলে অনেক বেশি ঘোরা হয়ে যায়, বিমানের টিকিট খরচের বিষয়, আর রেলের টিকিট পাওয়া অত্যন্ত দুঃসাধ্য। পোর্ট পরিবর্তন করার সুযোগ পেলে তো সুবিধাই হয়।

আসুন দেখে নেই কিভাবে কাজটি করে। জরুরী দরকারে আপনি বারিধারা ভারতীয় দূতাবাসে পোর্ট পরিবর্তন করার আবেদনটি করতে পারেন। তবে শর্ত আছে একটি, সেটা হচ্ছে, আপনাকে আগে যে পোর্টে ভিসা দেয়া হয়েছে, সেটাতে অন্তত একবার হলেও ভ্রমণ করা থাকতে হবে। নইলে আবেদন গ্রহণ হবে না।

পোর্ট পরিবর্তনের জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে বারিধারার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারে। অন্য কোথাও এই আবেদন গ্রহণ করা হয়না। আপনাকে আবেদন করতে হবে ভিসা কাউন্সিলর বরাবর। কেন আপনি পোর্ট পরিবর্তন করতে চান, তার কারণ উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে বর্তমান ভিসার ফটোকপি এবং পাসপোর্টের ফটোকপিও জমা দিতে হবে।

আপনার আবেদন যাচাই বাছাই করার পর যদি এম্বেসী মনে করে পোর্ট পরিবর্তন করবে, তাহলে এম্বেসী থেকে ফোন করা হবে আপনাকে, ফোন পাওয়ার পর আপনি আপনার পাসপোর্ট নিয়ে এম্বেসীতে গেলেই ওরা নতুন পোর্ট যোগ করে দেবে। আবেদনের পরও কোন ফোন কল না পান তবে ধরে নিতে হবে, ওরা আপনার আবেদন গ্রহণ করেনি অথবা আপনাকে পোর্ট পরিবর্তনের উপযুক্ত মনে করেনি তাই কোন ফোন কল দেয়নি।

পোর্ট পরিবর্তন এর আবেদন খুব বেশি একটা গ্রহণ করা হয় না। তবে এটা করা যায়। জরুরী অবস্থায় এটা করা যেতে পারে। তবে যেহেতু এখন সুবিধা দিয়েছে যে কোন পোর্টে ভিসা থাকলে আপনি বেনাপোল / হরিদাসপুর, বিমান ও রেল হয়েও যেতে পারবেন, তাই এটা হয়ত অতটা দরকার হবে না।


Spread the love
  • 118
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    118
    Shares
Tags:

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *