LOADING

Type to search

ভারতের ১৬টি সুন্দর স্থান যেখানে পর্যটন নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভৌতিক কারণে (শেষ পর্ব)

ভারতের ১৬টি সুন্দর স্থান যেখানে পর্যটন নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভৌতিক কারণে (শেষ পর্ব)

Rayvee 06/09/2018
Share
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আমি নিশ্চিত ছোটবেলায় আপনারা অন্তত একবার হলেও “আহাট” দেখেছন, অথবা আপনি নিশ্চই ভূতের সিরিয়াল দেখতে পাগল ছিলেন এবং প্রতিটি পর্বের পুনর্প্রচার ও দেখতেন। রোমাঞ্চকর ও ভৌতিক স্থানগুলি হামেশাই আমাদের মধ্যে শিহরণ জাগায়, ভারতবর্ষ একটি রহস্যময় দেশ, যে দেশ অনেক কুসংস্কারাচ্চন্ন বিশ্বাস ও গল্পে ঠাসা।

দ্বিতীয় পর্বের পর……

১১. আলেয়া প্রেতাত্মা দীপ্তি – পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থান, যেইসব মত্সজীবিরা এই দীপ্তিকে অনুসরণ করেছেন তারা আর ফিরে আসেন নি পশ্চিমবঙ্গের প্রেতাত্মা আলেয়া, মার্শাল প্রেতাত্মা নামেও পরিচিত।
মার্শাল লাইট দ্বারা অনেক জেলে বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং এটা বিশ্বাস করা হয় যে, কেউ যদি সেই আলো কে অনুসরণ করে, তারই বিপদ ঘনিয়ে আসে। যেসব জেলেরা অন্ধভাবে মার্শাল লাইটের পথ অনুসরণ করেছেন তারা কখনো ফিরে আসেন নি।

১২. দার্জিলিং এর ডাউন হিল – বিচিত্র অপ্রাকৃতিক ক্রিয়াকলাপ এবং মস্তকহীন বালকের ভ্রমনের জন্য পরিচিত।
দার্জিলিঙ্গের কুর্সেং-এ অবস্থিত ডাউন হিল, বেড়াবার জন্য এটি একটি সুন্দর জায়গা, কিন্তু এটিকে দেশের সবচেয়ে ভৌতিক স্থান গুলোর মধ্যে একটি বলে গণ্য হয়। ডাউন হিল-এর কাছে মেয়েদের একটি বিদ্যালয় অতিপ্রাকৃত ও অস্বাভাবিক কাজকর্মের প্রত্যক্ষ্ সাক্ষী এবং অনকেই পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে মুন্ডহীন একটি ছেলেকে চলাফেরা করতে দেখেছে। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলা যায় যে ডাউন হিল-এর বনে অসংখ্য খুন সংঘটিত হয়েছে।

১৩. সঞ্জয় ভ্যান – নিউ দিল্লির এক ভৌতিক স্থান।
সঞ্জয় ভ্যান নিউ দিল্লির একটি বিশাল বনভূমি। মানুষ এখানে একটি লাল শাড়ি পরিহত মহিলা কে দেখেছন যিনি হঠাতই দৃশ্যমান হন এবং সেখানকার মানুষজন আতঙ্কিত হওয়া মাত্রই আবার অদৃশ্য হয়ে যান।

১৪. রামোজি ফিল্ম সিটি – যেখানকার আলো নিজে থেকেই জ্বলে আবার নিজে থেকেই নিভে যায়।
জানেন কি এটাও একটা ভুতুরে জায়গা? রামোজি ফিল্ম সিটি অনেক অস্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের সাক্ষী। বলা হয়ে থাকে যে, এখানকার আলো নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এবং একবার অন্ধকার হলে নিজে থেকেই ফিরে আসে। বাতি হাতে পাহারাদারেরা আহত হয় এবং অবশিষ্ট খাওয়ার নিজের মতো বিক্ষিপ্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

১৫. আগ্রাসেন কি বাওলি – দিল্লির জন্তর-মন্তরের নিকট একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ।
এটা দিল্লির একটা ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং যন্তর মন্তর থেকে হাটা পথের দুরত্বে। কিন্তু জনশ্রুতি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি পাঁচ মিনিটের বেশি এটাকে দেখলে আত্মহত্যা করেন এবং এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখা পাওয়া যায়নি।

১৬. সানিওয়ারওয়াদা দুর্গ – পুনের প্রখ্যাত একটি ভৌতিক স্থান।
এটি পুনের একটি বিখ্যাত দুর্গ এবং মহারাষ্ট্রের প্রাচীনতম দুর্গগুলির মধ্যে একটি। অন্ধকার হয়ে যাওয়ার পর এই দুর্গে যাওয়া ঠিক নয়, কারণ বলা হয় যে, দুর্গটিতে কোন যুবরাজের আত্মা তাড়িয়ে বেড়ায় যাঁকে তাঁর নিজের খুড়তোত ভাইবোন ও পরিবারের সদস্যরাই খুন করেছিলেন। ভৌতিক কার্যকলাপ প্রত্যেক পূর্ণিমার রাতে আরো বেশি করে দেখা যায়।

আমরা অতিপ্রাকৃত কর্মকান্ডে বিশ্বাস করি না, সবসময় সবকিছুর পিছনে একটি বৈজ্ঞানিক কারণ থাকে, যতদিন না আমরা এটা খুঁজে পাই, ততদিন এগুলি একটা ভুতুড়ে গল্প হিসেবেই প্রচলিত থাকবে।

তথ্যসূত্রঃ গুগল


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *