LOADING

Type to search

মনোরম ৫০টি সমুদ্র যা আপনার জীবনে যোগ করবে এক নতুন ভাললাগার অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

মনোরম ৫০টি সমুদ্র যা আপনার জীবনে যোগ করবে এক নতুন ভাললাগার অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

Share
Spread the love
  • 456
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    456
    Shares

নিত্যদিনে কর্মব্যাস্ততার ক্লান্তি যখন মানুষের মনে বাসা বাঁধে তখনই প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যে মানুষ হারিয়ে যেতে চায়।

এদের পছন্দের তালিকায় থাকে সমুদ্র অথবা পাহাড়।  আপনাদের সাথে তেমনই মনোরম ৫০টি সমুদ্র এর  সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। পর্ব-১

হোয়াইটহ্যাভেন বীচ, হোয়াইটসানডে আইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া।

অবস্থানঃ সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ডর উপকূলে, অস্ট্রেলিয়া।

হোয়াইটহ্যাভেন বীচ

হোয়াইটহ্যাভেন বীচ, হোয়াইটসানডে আইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া

একবার ভাবুন তো চারপাশে অথৈ সমুদ্র আর মাঝখানে একটি ডিঙি নৌকায় আপনি দুলছেন। অথবা বিশাল সমুদ্রের ঠিক একটু উপরেই আপনি হেলিকপ্টারে করে উড়ে বেড়াচ্ছেন। কী ভয়ানক এডভেঞ্চার তাই না?? হ্যা অস্ট্রেলিয়ার হোয়াইঠ্যাভেন বিচে গেলেই আপনি এমন নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবেন।

২০১০ সালের সিএনএন এর রিপোর্ট অনুযায়ী হোয়াইট হ্যাভেন বীচ বিশ্বের পরিবেশবান্ধব সমুদ্র সৈকতগুলোর মধ্যে শীর্ষাবস্থানে আসে।   এটিকে টোমটু গ্রুপের পিনাকির সাথে বিভ্রান্ত করা উচিত নয়, ১৯৬৭ সালে ওয়ালিসযার নাম দিয়েছিলেন হোয়াইটসানডে দ্বীপ।

এখানে সমুদ্রগুলি উষ্ণ, পরিষ্কার, অগভীর, পুষ্টি সমৃদ্ধ এবং দ্রুতগতিতে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বড় জোয়ারের প্রবাহের ফলে প্রবাল প্রাচীর দ্রুত বেড়ে উঠে।

এই সৈকতের একটি মজার বিষয় হল এখানকার বালির ৯৮ শতাংশই সিলিকা যা পৃথিবীকে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল ও শীতল করে।

কিভাবে যাবেনঃ

বীচটি সম্পর্কে এই ধরণের ধারণা পাওয়ার পর হয়ত আর তর সইছে না। জানতে ইচ্ছে করছে কিভাবে যাবেন এই বিচে।

হোয়াইট হ্যাভেন বীচ এবং তার আশপাশের আইল্যান্ডগুলো ঘুরে দেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল OzSailনামক কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করা। তারাই আপনাকে প্রাক্তন রেসিংজাহাজে ২ রাতের প্যাকেজের মাধ্যমে হোয়াইটহ্যাভেন বীচ ও তার আশেপাশের আইল্যান্ডগুলো ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করে দিবে।

আপনি যদি সীপ্লেন অথবা হেলিকপ্টারের খরচ সামলাতে না পারেন তবে মন খারাপ করার কিছু নেই। বীচের টাংপয়েন্টে চলে যান আর আর একটি তাবু খাটিয়ে সমুদ্রের সৌন্দর্য্য উপভোগ করুন।

হিডেন বীচ, মেক্সিকো

হিডেন বীচ, মেক্সিকো

হিডেন বীচ, মেক্সিকো

ধরুন একদল বন্ধু-বান্ধব নিয়ে অথবা নিজের জীবনসঙ্গীকে নিয়ে একাকী কোন দ্বীপে হেঁটে চলেছেন, হঠাৎ দেখলেন সামনে বিশাল এক গর্ত।

কৌতুহলী মনে দেখতে গেলেন এবং আবিষ্কার করলেন গর্তের মধ্যে লুকিয়ে আছে সমুদ্র সৈকত। কী আজগুবি গল্প মনে হচ্ছে??

আজগুবি মনে হলেও এমনটা দেখতে পারবেন আপনি যদি আপনি মেক্সিকোতে অবস্থিত আইলাস মেরিটাস আইল্যান্ডে যান।

প্রশস্থ ছায়া,সূর্য, স্ফটিকাকার জল এবং চিরসবুজ দ্বীপের সৌন্দর্য্য আপনার নজর কাড়বে।তবে মজার বিষয় হল এখানকার মানুষের কাছে কথিত আছে যে, ১৯ শতকের দিকে সরকারের বোমা নিক্ষেপের কারণে এই হিডেন বিচের সৃষ্টি হয়।

এখানে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে একটি নৌকা ভাড়া করতে হবে, তারপর টানেল এর মধ্য দিয়ে কায়াকিং করতে করতে যেতা হবে গন্তব্যস্থলে। বেশিরভাগ ভ্রমণকারী এখানে পোর্টার্টা ভালার্টা থেকে এক ঘন্টা দীর্ঘ নৌকা ভ্রমণ মাধ্যমে এখানে যেত। 

কিন্তু পুনাটা মিত্রা সমুদ্র সৈকত শহরে থাকাই ভাল। একটি পাঙ্গা, একটি ছোট মাছ ধরার নৌকা আপনি পুত্রা মিতার মধ্যে ভাড়া করতে পারেন 

পিগ বীচ, এক্সামাস, বাহমাস

বীচ, এক্সামাস, বাহমাস

পিগ বীচ, এক্সামাস, বাহমাস

আপনি যদি “নাসাও” বা “এক্সামাসে” অবস্থিত হন তবে আপনি সুইমিং সূকর দেখতে একদিনের ট্রিপ বুক দিতে পারেন।

এখানের শূকরগুলো সম্পর্কে কথিত আছে যে সমুদ্রের কোন জলদস্যু শূকরগুলো এখানে ছেড়ে গিয়েছিল।

কখনও তাদের ভোজনের জন্য ফিরিয়ে নিয়ে যায়নি। এই বিচে আপনি শুধুমাত্র নৌকাযোগে যেতে পারবেন এবং এটাই তাড়াতাড়ি পৌঁছানোর  সবচেয়ে ভাল উপায়।

আপনি এই বিচে যত তাড়াতাড়ি পৌছাবেন ততই ভাল।

লাকী বীচ, অস্ট্রেলিয়া

বীচ, অস্ট্রেলিয়া

লাকী বীচ, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ উপকূলে ক্যাপ লে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল পার্কে এই বীচ অবস্থিত। 

এখানে আপনি দেখতে পাবেন সমুদ্রের সাদা বালি এবং উজ্জ্বল্ল নীলাভ জল। কিন্তু এই সমুদ্রের প্রধান আকর্ষণ হল ক্যাঙ্গারুর বাসস্থান।

সম্ভবত পুরো সমুদ্র জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়। দূর সমুদ্রে চোখ রাখলে আপনি তিমিদের স্নানও দেখতে পারবেন।

এখানে তেমন একটা রিসোর্ট পাওয়া যায়না,কিন্তু ন্যাশনাল পার্কে ক্যাম্প ভাড়ায় পাওয়া যায়। এতে আপনি থাকতে পারবেন।

রেনিজারা বীচ, আইল্যান্ড

বীচ, আইল্যান্ড

বীচ,রেনিজারা ,আইল্যান্ড

রেনিজারা বীচ হল পৃথিবীর বিক্ষ্যাত কাল বালির বীচআইল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলে ভিক আই মিন্ডাল নামের মাছ ধরার ছোট গ্রামের পাশেই এই বীচ অবস্থিত।

১৯৯১ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি এই বীচটিকে শীর্ষ ১০টি নন ট্রপিক্যাল সৈকতগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে নির্বাচিত করে।নথি অনুসারে আইল্যান্ডের পর্যটন বিস্ফোরণ আকার নিয়েছে।

কিন্তু বেশিরভাগ পর্যটকই নীল উপহ্রদ ও লাভা থেকে সৃষ্ট কাল বালির বীচ এড়িয়ে যায়।

আপনি যদি এই এলাকার সবকিছু ঘুরে দেখতে চান তবে নিকটবর্তী শহর ভিকে অব্বস্থান করুন এবং খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠুন।


Spread the love
  • 456
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    456
    Shares

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *