LOADING

Type to search

মৈত্রী এক্সপ্রেসঃ ঢাকা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের যাবতীয় তথ্যাদি

মৈত্রী এক্সপ্রেসঃ ঢাকা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের যাবতীয় তথ্যাদি

Share
Spread the love
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    14
    Shares

মৈত্রী এক্সপ্রেস

মৈত্রী এক্সপ্রেস (Maitree Express) ঢাকা থেকে কলকাতা সপ্তাহে ৪ দিন যাই, বুধবার ,শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার আর কলকাতা থেকে ঢাকা আসে সপ্তাহে ৪ দিন, সেটা হলো সোমবার , মঙ্গলবার , শুক্রবার এবং শনিবার । ঢাকা থেকে সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং কলকাতা পৌঁছাবে বিকাল ৪ টার সময় । ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছাড়ে আর কলকাতা চিতপুর স্টেশন এ পৌঁছায় এবং আসার সময় কলকাতা চিতপুর স্টেশন থেকে ছারে আর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় । কলকাতা থেকে ছেড়ে আসার সময় হচ্ছে সকাল ৭ টা ১০ মিনিটে আর ঢাকা পৌঁছাবে বিকাল ৪ টা ০৫ মিনিটে।

টিকেট ভাড়া  ঢাকা টু কলকাতা :-

  • AC কেবিন – ২৫২২ টাকা + ৩৭৮ টাকা (ভ্যাট)+ ৫০০ টাকা ট্রাভেল ট্যাক্স = ৩৪০০ টাকা
  • AC চেয়ার – ১৭৪৮ টাকা +২৫২ টাকা ( ভ্যাট ) + ৫০০ ট্রাভেল ট্যাক্স = ২৫০০ টাকা।  শিশুদের জন্য ৫০% ডিস্কাউন্ট হবে যদি ১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বয়স হয়ে থাকে নতুবা ফুল ভাড়া দিয়ে টিকিট কাটতে হবে। পাসপোর্ট অনুসারে বয়স ধরা হয়ে থাকে।
    ট্রাভেল ট্যাক্স প্রতিজনের জন্য ৫০০ টাকা করে যা টিকিট এর টাকার সাথে যুক্ত। কলকাতা টু ঢাকা :-
  • AC কেবিন – ২০১৫ রুপি
  • AC চেয়ার – ১৩৪৫ রুপি 

টিকেট কাটার সম্পূর্ণ তথ্য :-

ঢাকা টু কলকাতা —-

ঢাকা টু কলকাতা এর টিকিট কাটতে হবে “কমলাপুর রেল স্টেশন” ও “চট্টগ্রাম রেল স্টেশন” গিয়ে। ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী ট্রেনের টিকিট আর কোথাও বিক্রি করে না।
কলকাতা টু ঢাকার ট্রেনের টিকিট কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে কাটতে পারবেন তবে ২০% টিকিট  দিতে পারে ঢাকা থেকে সেক্ষেত্রে আপনার ভাগ্য ভালো থাকলে পাবেন অথবা পাবেন না। আর বাকি ৮০% টিকিট  কলকাতা কাউন্টার থেকে দিয়ে থাকে। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৭ টা পর্যন্ত টিকিট দেওয়া হয়। আর কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে টিকিট পাবেন। আর ২৯ দিন আগ পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট নিতে পারবেন তবে যাবার মিনিমাম ১০/১২ দিন আগে না নিলে টিকিট পাবেন বলে মনে হয় না কারণ প্রচন্ড চাপ থাকে। ৩০/৩১/৩২ দিন আগে কোন অগ্রিম টিকিট নিতে পারবেন না মানে দিবে না। মানে ২ মাস আগে কোন টিকিট দেওয়া হয়না। আপনি হায়েস্ট ২৯ দিন আগের টিকিট নিতে পারবেন।

কলকাতা টু ঢাকা —–

ঢাকা টু কলকাতা এর টিকিট কাটতে হবে ফেয়ারলী প্লেস অথবা কলকাতা স্টেশনে গিয়ে। কলকাতা-ঢাকা ট্রেনের টিকিট আর কোথাও বিক্রি করে না।
*ফেয়ারলী প্লেস:-
সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত টিকিট দেওয়া হয়।
*কলকাতা স্টেশন:-
বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত টিকিট দেয়া হয়। স্টেশনের ২য় তলায় যেতে হবে মৈত্রী ট্রেনের টিকিটের জন্য।
*টিকিট কাটার জন্য প্রথমে পাসপোর্ট দেখিয়ে ফরম নিতে হবে ফরমে সিরিয়াল নাম্বার লিখে দিবে তারপর ফরম পূরন করে অপেক্ষা করতে হবে সিরিয়াল অনুযায়ী ডাকা হবে টিকিট নেয়ার জন্য।

                                                                          মৈত্রী_ট্রেনের_ইমিগ্রেশন :-
ঢাকা থেকে কলকাতা যাওয়ার সময় —-
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌছানোর পর কাজ হলো ইমিগ্রেশন ফর্ম নিয়ে সেটা পূরণ করা । ফর্ম এর মধ্যে পাসপোর্ট ইনফো এবং ভিসা ইনফো ঠিকঠাক লিখেবেন ।যাওয়ার সময় কাস্টম সেরকম কিছু জিগেশ করে না । হাতে একটু সময় নিয়ে আগে থাকে স্টেশনে পৌঁছাবেন ।
কলকাতা স্টেশনে পৌছানোর আগেই ট্রেনে একটা ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন ফরম দিবে সেটা ঠান্ডা মাথায় পূরন করবেন সব গুলো তথ্য পূরন করবেন একটাও বাদ দিবেন না। ফরমে ঠিকানা ও ফোনের জায়গায় আপনার হোটেলের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিবেন যারা আত্মীয়ের বাসায় উঠবেন তারা আত্মীয়ের ঠিকানা ও তার পুরো নাম ঠিকানার জায়গায় লিখবেন এবং তার ফোন নাম্বার দিবেন। ট্রেন থামার পর ইমিগ্রেশন লাইনে দারাবেন তখন একটি ডিকলারেশন ফরম দিবে সেটি পূরন করবেন ফরমের দুদিকে বাংলা/ইংরেজী দুটি ভাষাই আছে যেকোন একভাবে পূরন করবেন,সেটা নিয়ে ইমিগ্রেশনে যাবেন আপনার বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করবে না ঘাবরিয়ে উত্তর দিবেন।

***চাকুরীজীবীদের NOC সাথে রাখা আবশ্যক।

যত দ্রুত ইমিগ্রেশন শেষ করবেন তত দ্রত কলকাতা প্রবেশ করবেন তাই ট্রেন থামা মাত্রই নেমে লাইন ধরুন।

কলকাতা থেকে ঢাকা আসার সময় —-

কলকাতা স্টেশনে প্রথম কাজ হল ডিকলারেশন ফরম নিয়ে পূরন করে ইমিগ্রেশনে দাড়ানো। ইমিগ্রেশনের আগে ও পরে ৩/৪ বার ব্যাগেজ ও বডি চেক হবে কুকুর,মেশিন,বি এস এফ দ্বারা এবং এগুলো খুব দ্রুতই হয়ে যায়। আর স্টেশনে ৬টার দিকে পৌছে যাওয়াই ভাল।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছানোর পর কেবিন যাত্রীচেয়ার কোচ যাত্রীদের আালাদা লাইন করা হয় এবং প্রথম দিকের যাত্রীদের সময় নিয়ে কাস্টম,ইমিগ্রেশন করা হয় আর শেষের দিকে যাত্রীদের দ্রুত ইমিগ্রেশন করে ছেড়ে দেয় ।

                                                        মৈত্রী এক্সপ্রেস এর ট্রাভেল ব্যাগ এর ওজন :-

একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি ৩৫ কেজি পর্যন্ত ফ্রি নিতে পারবেন মানে দু’টা লাগেজে ৩৫ কেজি পর্যন্ত নিতে পারবেন আর শিশুদের ক্ষেত্রে ২০ কেজি পর্যন্ত মানে সাথে যদি বাচ্চা থাকে তার জন্য ২০ কেজি পর্যন্ত ফ্রি নিতে পারবেন। ৩৫ কেজি বেশি নিলে কত চার্জ দিতে হবে ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি হলে প্রতি কেজিতে ২ ডলার করে এক্সট্রা ফি দিতে হবে প্রতি কেজিতে,এবং ৫০ কেজির বেশি হলে প্রতি কেজিতে ১০ ডলার করে গুনতে হবে।

আপনার ইন্ডিয়া ভ্রমণ কে করে তুলুন সুন্দর ও আনন্দময়।

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেল ষ্টেশন


Spread the love
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    14
    Shares

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *